ছোলার উপকারিতা

ছোলা বা বুটকে বলা হয় দানাদার শক্তিশালী খাদ্যশস্য। অর্থাৎ প্রতিদিন সামান্য পরিমাণে (প্রায় ৫০ গ্রাম) ছোলা খেলে মাছ-গোশত ইত্যাদি ঘাটতি পূরণ হয়। অনেকে বলে থাকেন, ছোলা খাও আর ব্যয়াম কর। মজার ব্যাপার হলো, ছোলায় আমিষের পরিমাণ গোশত, মাছ বা ডিমের আমিষের পরিমাণের প্রায় সমান।

ছোলার উপকারিতা

পুষ্টিমান :

প্রতি ১০০ গ্রাম ছোলায় আমিষ আছে প্রায় ১৮ গ্রাম। কার্বোহাইড্রেট আছে প্রায় ৬৫ গ্রাম। আর ফ্যাট আছে প্রায় ৫ গ্রাম। ছোলায় আছে বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ লবণ। প্রতি ১০০ গ্রাম ছোলায় রয়েছে প্রায় ২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম। ভিটামিন ‘এ’ আছে প্রায় ১৯২ মাইক্রোগ্রাম। প্রচুর পরিমাণে আছে ভিটামিন বি-১ ও বি-২। আছে ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাস।

ছোলার উপকারিতা :

ছোলায় শর্করার গ্লাইসেমিক ইনডেক্সের পরিমাণ কম থাকায় শরীরে প্রবেশ করার পর অস্থির ভার দূর হয়।

ছোলাতে দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় উভয় ধরনের খাদ্য আশ আছে। এই খাদ্য আশ হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুকি কমিয়ে দেয়।

ছোলা খাদ্যনালীতে ক্ষতিকর জীবাণু দূর করে ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা কমায়।

ছোলার শর্করা গ্লুকোজ হয়ে দ্রুত রক্তে যায় না। তাই ডায়াবেটিকস রোগির জন্য ছোলা খুবই উপকারী খাবার।

ছোলার ফ্যাটের বেশির ভাগ পলি আনস্যাচুয়েটেড। এই ফ্যাট শরীরের জন্য মোটেই ক্ষতিকর নয়, বরং রক্তের চর্বি কমায়।

কাচা ছোল ভিজিয়ে কাচা আদার সঙ্গে খেলে শরীরের আমিষ ও অ্যান্টিবায়োটকস চাহিদা পূরণ হয়।

আমিষ মানুষকে শক্তিশালি ও স্বাস্থ্যবান বানার এবং অ্যান্টিবায়োটিক যে কোনো অসুখের জন্য প্রতিরোধ গড়ে তোলে। ছোলা খওয়ার পর বেশ অল্প সময়েই হজম হয়।

ছোলাল বেশ ভাল ফরিমাণ ফলিক এসিড় থাকায় রক্তটাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়।

ছোলায় থাকা প্রচুর পরিমাণে ক্যালরি দীর্ঘ্ক্ষণ ধরে শরীরে শক্তির যোগান দেয়।

*

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)
নবীনতর পূর্বতন