কাঠবাদাম সবাই চিনি, একে সুপার ফুড বলে কাঠবাদামের উপকারিতা সীমাহীন পুষ্টিগুণে ভরপুর এই বাদাম -যেমন
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, হূদেরাগের ঝুঁকি কমায়,ওজন নিয়ন্ত্রণ করে ও চুলের
জন্য উপকারী।
এবং ভালো মানের ফ্যাট(Fat) যা আমাদের দেহের জন্য অত্যন্ত উপকারী। যদি আপনি প্রতিদিন এক মুঠো কাঠবাদাম খাওয়ার অভ্যাস করেন তাহলে তা আপনার স্মৃতিকে প্রখর করবে। কাঠবাদামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি(B) যা মস্তিষ্কের কোষগুলোকে উন্নত করতে সহায়তা করে এবং স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। বাচ্চাদের ছোট বেলা থেকেই প্রতিদিন কাঠবাদাম খাওয়ার অভ্যাস করলে স্মৃতিশক্তি অনেক বেশি প্রখর হয়। এই কাঠবাদাম আপনাকে যে পরিমাণ উপকার করবে জানলে আপনি অবাক হবেন।
প্রচুর পরিমাণ নিউট্রিশনে ভরপুর কাঠবাদাম আপনাকে করবে লাবণ্যময়ী। এই কাঠবাদামের রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ও পটাশিয়াম। প্রতিদিন সকালে দুটো করে কাঠবাদাম যদি নাস্তায় রাখেন এর ফলাফল আপনি নিজেই দেখতে পাবেন। ওজন কমাতে সাহায্য করে এই কাঠবাদাম। শরীরের ফোলা/মোটা ভাব কমায় এই কাঠবাদাম।
হজমের জন্য কাঠবাদামের জুড়ি মেলা ভার এতে যে ফাইবার রয়েছে তা হজম শক্তি বাড়ায় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। যৌবন ধরে রাখতে সাহায্য করে এই বাদাম। বিশ্বাস হচ্ছে না সত্যিই বলছি এগুলা কাঠ বাদামের উপকারিতা। ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ ভরপুর এই কাঠবাদাম। কাঠবাদাম রান্না করে খেলেও উপকার হয়। ক্ষীর বা পায়েস এর উপর কার্নিশ করেও খাওয়া যায় এই কাঠবাদাম। উত্তর ভারতের খাদ্যতালিকায় 'বাদাম কোরমা পোলাও' নামে একটি পদ খুবই জনপ্রিয় যার অধিকাংশ ক্ষেত্রে কাঠ বাদাম দিয়ে তৈরি হয়।
কাঠবাদামের উপকারিতাঃ
১) ভিজানো কাঠবাদাম আমাদের হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে এবং প্রয়োজনীয় এনজাইম নিঃসরণ এ সাহায্য করে।
২) ওজন কমাতেও সাহায্য করে এই কাঠবাদাম। কাঠবাদামের উপস্থিত ম্যনুস্যাসুরেটে ফ্যাট আমাদের শরীরের খুদা ভাব কমায় এবং আমাদের পেটকে ভরা রাখে।
৩) হৃদয় ভালো রাখে কাঠবাদাম। ক্ষতিকারক কলেস্ট্রোল, লোও-টেন সিটি, লিপোপ্রোটিন নিয়ন্ত্রণ করে।
৪) কাঠবাদামে উপস্থিত এন্টি অক্সিডেন্ট শরীরের ফোলা অর্থাৎ মোটা ভাব কমায় এবং অকালপক্কতা নিয়ন্ত্রণ করে।
৫) ক্যানসার রোধে সাহায্য করে কাঠবাদাম।
৬) বাদামে উপস্থিত ভোলাবোনায়েট শরীরের টিউমার হতে দেয় না।
৮) সন্তানসম্ভাবদের নিয়ম করে ভেজানো কাঠবাদাম খেতে পরামর্শ দেয় স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞরা। এতে উপস্থিত পুষ্টি শিশুর খুদ দূর করে স্মৃতিশক্তি প্রখর করে।
৯) প্রতিদিন এক মুঠো কাঠবাদাম আমাদের স্মৃতিশক্তি প্রখর করে। কাঠ বাদামের রয়েছে ভিটামিন বি যা মস্তিষ্কের কোষগুলোকে উন্নত করতে সহায়তা করে। এবং স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে। বাচ্চাদের ছোট বয়স থেকে কাঠবাদাম খাওয়ার অভ্যাস করলে তাদের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়।
১০) দ্রুত ওজন কমাতে সাহায্য করে কাঠবাদাম।
১১) কাঠবাদাম প্রোটিন এবং ফাইবার এর উৎস যা অনেক সময় খোদার উদ্রেক করে না এবং ক্ষুধা কমায় এতে করে ওজন কমতে সাহায্য হয়।
১২) চুলের যত্নে কাঠবাদাম, চুল পড়া এবং মাথার ত্বকের সু- সাস্থ্যের কাঠ বাদামের তেল অনেক উপকারী। কাঠ বাদামের ভিটামিন ই চুল পড়া রোধ করে এবং উন্নত করে চুলের গ্রোথ।কাঠবাদামের তেল মাখিয়ে ঘণ্টাখানেক রেখে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে পাবেন স্বাস্থ্যোজ্জ্বল, ঝলমলে ও পুষ্টিকর চুল।
১৩) সৌন্দর্য চর্চায় কাঠবাদামের তেল এর জুড়ি নেই। কাঠবাদামের উপস্থিত ভিটামিন ই আমাদের ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে। কাঠবাদাম আমাদের ত্বকের রুক্ষতা দূর করে ত্বকের জন্য প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে। কাঠ বাদামের দুধ আমাদের মুখে ব্যবহার করলে মুখের উজ্জলতা বৃদ্ধি পায়। কাঠ বাদামের তেল/দুধ সরাসরি মুখে ব্যবহার করলে মুখের ত্বক উজ্জ্বল, সুন্দর, মসৃণ ও লাবণ্যময় হয়।